
আমাদের গল্প
কলকাতার এক গলিতে শিকড়
শুরু হয়েছিল একটা কেটলি আর একটা সহজ ভাবনা দিয়ে: রোজকার চা-টা যত্ন নিয়ে বানানো, আর শহরের পুরোনো অভ্যেসকে সম্মান জানিয়ে পরিবেশন করা।
আমাদের গল্প পড়ুন
টি-রুম · কলকাতা
Mitti & Leaf পাড়ার একটি ছোট্ট চায়ের ঘর। আমরা ঢিমে আঁচে চা ফোটাই, মাটির ভাঁড়ে পরিবেশন করি, আর অর্ডার পেলে তবেই জলখাবার ভাজি।
কেন সবাই এখানে থামেন
মেনু আমরা ইচ্ছে করেই ছোট রেখেছি, যাতে প্রতিটি কাপে সমান যত্ন দেওয়া যায়। চা-পাতা আসে উত্তরবঙ্গের বাগান থেকে, দুধ আসে রোজ সকালে টাটকা, আর ভাঁড় বানান এই শহরেরই কুমোররা।
আমাদের গল্প পড়ুন

চকচকে প্রলেপ ছাড়া মাটির ভাঁড়ে পরিবেশন করা চা। মাটি চায়ে হালকা সোঁদা গন্ধ যোগ করে, আর প্রতিটি ভাঁড় একবারই ব্যবহার হয়।

শিঙাড়া, চপ আর ঝালমুড়ি — সারাদিন অল্প অল্প করে বানানো হয়, তাই কিছুই পড়ে থেকে ঠান্ডা হয় না।

কাঠের বেঞ্চ, মাথার ওপর পাখা, আর কোনো তাড়া নেই। এক কাপ হোক বা তিন কাপ — যতক্ষণ খুশি বসুন।
কাউন্টার থেকে

আমাদের রোজকার কাপ: কড়া, মিষ্টি দুধ-চা, টাটকা মাটির ভাঁড়ে ঢালা।

আসামের চা-পাতা দুধ, আদা, এলাচ, দারচিনি আর চক্রফুলের সঙ্গে ফোটানো।

হালকা লিকার চা, সঙ্গে লেবু, এক চিমটে বিটনুন আর ভাজা জিরে। দুধ ছাড়া।

“ভালো চায়ের জন্য তিনটি জিনিস লাগে: টাটকা পাতা, ধৈর্যশীল হাত, আর ভাগ করে নেওয়ার মতো কেউ।”

আমাদের গল্প
শুরু হয়েছিল একটা কেটলি আর একটা সহজ ভাবনা দিয়ে: রোজকার চা-টা যত্ন নিয়ে বানানো, আর শহরের পুরোনো অভ্যেসকে সম্মান জানিয়ে পরিবেশন করা।
আমাদের গল্প পড়ুন
চলে আসুন
নিকটতম মেট্রো স্টেশন থেকে অল্প হাঁটা পথ, আর গলির মুখেই ট্রাম ও বাসের স্টপ।
কীভাবে পৌঁছবেন